ছেলেকে নিয়ে ব্যবসায় নামলেন চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস

ভক্ত-অনুরাগীরা তাকে ঢাকাই সিনেমা’র কুইন বলে ডাকেন। একটা সময় দেশের সিনেমা হলগু’লোতে তারই রাজত্ব ছিলো। শাকিব খানের স’ঙ্গে জুটি বেঁধে বছরের পর বছর সুপারহিট সব ছবি তিনি উপহার দিয়েছেন।

অনেকদিন হলো নতুন কোনো সিনেমা নেই তার। বেশকিছু সিনেমাতে কাজ করা হলেও কোনোটিই মুক্তি পায়নি। মুক্তির অ’পেক্ষায় আছে এই নায়িকার `শশুরবাড়ি জিন্দাবাদ-২’, ‘প্রিয় কমলা’ নামের ছবিগু’লো।তবে বছর শেষে অন্যরকম এক সুখবর জানালেন অ’পু। তিনি সম্প্রতি প্রযো’জক হিসেবে

যাত্রা শুরু করেছেন। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্র’যোজক ও পরিবেশক সমিতির সদস্যপদও নিয়েছেন।বুধবার (৩০ ডিসেম্বর ২০২০) প্রযোজক হি’সেবে ‘সদস্য’পদ হাতে পান অ’পু। তিনি তার ছেলে আব্রাম খান জয়ে’র নামে প্রযোজনা প্রতি’ষ্ঠান খুলেছেন। নাম ‘অ’পু-জয় প্রোডা’কশন হাউজ’।

২০২১ সালে এই প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের বিশ্বমানের সিনেমা নির্মাণ হবে বলে আশ্বাস দিয়ে অ’পু বলেন,প্রযো’জক সমি’তির সদস্য হয়েছি। শীঘ্রই নতুন সুখবর দেবো। অনেক পরিকল্পনা আছে সিনেমা প্রযোজনা নিয়ে। নতুন বছরটি নতুন করে শুরু করতে চাই।’

এ’দিকে প্র’যোজক স’মিতির সে’ক্রেটারি শা’মসুল আলমও অ’পুর প্র’যোজ’ক সমি’তির সদ’স্য হওয়ার বিষ’য়টি নি’শ্চিত করেছেন। তিনি জানান, অ’পু বিশ্বাস প্রযোজক ও পরি’বেশক সমি’তির সদস্য হওয়ার আবেদন করেন কিছুদিন আগে।

বুধবার স’মিতির বর্তমান ক’মিটির সি’ন্ধা’ন্তে অ’পু বিশ্বাসকে সদ’স্যপদ দেওয়া হয়েছে। প্রস’ঙ্গত, ২০১৮ সালের ১২ মা’র্চ বি’বাহবি’চ্ছেদ হয় শাকিব খান ও অ’পু বিশ্বাসর।

সাবেক এই তারকা দম্পতির একমাত্র পুত্র সন্তান আ’ব্রাম খান জয়। ব’র্তমানে সিনে’মাসহ নানা রকম মডেলিং ওকাজ নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন অ’পু বিশ্বাস। গেলো বছরের শেষ’দি’কে তিনি শুরু করেছেন সর’কারি অ’নুদানের সিনেমা

বন্ধন বিশ্বাস পরি’চালি’ত এই সিনেমায় অ’পুর নায়ক নিরব।

ব্রেকিং নিউজ: অপু-বুবলীকে নিয়ে অবশেষে মুখ খুললেন শাকিব

বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয়ো জুটি ছিল শাকিব-অপু জুটি। শাকিব খান বাংলাদেশের এক জন সুপার স্টার। ‘আড়ালের এই সময়টাতে শাকিব খানের সঙ্গে কথা হয়েছে কিনা? বুবলী বললেন, শাকিব খবর নেওয়ার চেষ্টা করেছে। বেশ কয়েকবার চেষ্টা করেছে…’

গত ৬ জানুয়ারি বাংলাদেশ প্রতিদিনের শোবিজ বিভাগে ‘সময় হলেই খুলবে রহস্যের জট’ শিরোনামে বুবলীর দেওয়া সাক্ষাৎকারভিত্তিক প্রতিবেদনে প্রতিবেদক শামছুল হক রাসেলের প্রশ্নের জবাবে এ অভিনেত্রী উপরের কথাগুলো বলেন।

কিন্তু দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে শাকিবের সঙ্গে তার সম্পর্কের গুঞ্জনের বিষয়টি তিনি পরিষ্কার করেননি। বলতে গেলে ধোঁয়াশাই রেখে দেন বহুল আলোচিত এ ব্যাপারটি। শাকিব-বুবলীকে নিয়ে দর্শক ও পাঠকের যে কৌতূহল তার কোনো সমাধান সূত্র পাওয়া যায়নি সে জবানীতে।

এ যেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘শেষের কবিতার’ শেষ পঙ্ক্তি ‘শেষ হইয়াও হইলো না শেষ’-এর মতোই অধরা। তার এ জবাবের রেশ ধরেই অভিনেতা শাকিব খানের কাছে জানতে চাইলাম, ‘আপনি কি আসলেই বুবলীর খবর নেওয়ার চেষ্টা করেছেন, আর কী খবরইবা জানতে

চেয়েছেন?’ এমন প্রশ্নের জবাবে শাকিবের ত্বরিত জবাব, ‘আরে ও তো আমার সহকর্মী, একজন সহকর্মীকে দীর্ঘদিন ধরে কেউ খুঁজে পাচ্ছে না, সহকর্মী হিসেবে তার খবর নেওয়াটা তো দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে।

তাই খবর নিতেই তাকে ফোন দিয়েছিলাম’। পরের প্রশ্ন- ‘তা বুবলী কী বলেছিলেন?’ শাকিব বললেন, ‘না কোনো কথা হয়নি, ও কল রিসিভ করেনি, হয়তো ব্যস্ত ছিল’।

শাকিব-অপুর পর এবার শাকিব-বুবলী অধ্যায়ের সূত্রপাত। আর এ সূত্রপাতের আয়োজক তারাই। কারণ শাকিব-অপুর মধুর সংসার ভেঙে যাওয়ার উপাত্ত হিসেবে বুবলীর নামই ঘুরেফিরে বারবার ওঠে আসে। শাকিবের সঙ্গে বুবলীর প্রেমের গল্পটা শুরুতেই শুনিয়েছিলেন অপু বিশ্বাস। শাকিব-অপু গোপনে ২০০৮ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেও অপুর কথায় শাকিবের নির্দেশেই তা দীর্ঘদিন তাকে গোপন রাখতে হয়েছিল।

২০১৬ সালের মার্চে হঠাৎ করেই অপু চলে যান লোকচক্ষুর অন্তরালে। চলচ্চিত্র বা মিডিয়ার কেউ তাকে খুঁজে পাচ্ছিলেন না। কেটে গেল ১৪ মাস। অপুর কোনো খবর নেই। অপু আড়াল হওয়ার অনেক আগেই কিন্তু শাকিব-অপুর প্রেম আর পরিণয়ের গুঞ্জন আকাশে-বাতাসে উড়ে বেড়িয়েছে। কিন্তু দুজনই বরাবর তা অস্বীকার করে আসছিলেন।

এমনকি অপু আড়ালে চলে যাওয়ার পর মিডিয়ার পক্ষ থেকে শাকিবের কাছে অপুর খবর বারবার জানতে চাওয়া হয়েছিল। প্রতিবারই শাকিব খান বলেছিলেন, ‘অপুর খবর আমি কীভাবে জানব’। নিজেদের প্রেম-বিয়ের খবর অস্বীকার করে দুজনই বলেছিলেন, ‘সবই গুজব। আমরা দুজন সহকর্মী ও ভালো বন্ধু ছাড়া আর কিছুই নয়’।

২০১৬ সালে অপু আড়াল হওয়ার পর একমাত্র বাংলাদেশ প্রতিদিনের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিলেন এ অভিনেত্রী। তখন বলেছিলেন, অনেক কষ্ট আর ক্ষোভের কথা। অপু তার কষ্টের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বুবলীর দিকেই আঙুল তুলেছিলেন। বলেছিলেন, ‘শাকিব আমাকে বিয়ে করার পর বিয়ের কথা গোপন রাখাসহ সে যা বলেছে আমি তা মেনে নিয়েছি।

২০১৬ সালের মার্চে যখন বুলবুল বিশ্বাসের ‘রাজনীতি’ ছবির শুটিং করি তখন আমি প্রেগন্যান্ট। এ অবস্থাতেও শুটিং করে গেছি। শেষ পর্যন্ত যখন বেবি বাম্প আর গোপন করা যাচ্ছিল না, তখনই আড়ালে চলে যাই। অপু বলেছিলেন, ‘আমার কষ্টটা ছিল বুবলীকে নিয়ে। আমি লক্ষ্য করলাম শাকিবের সঙ্গে বুবলীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। নানাজন আমাকে বিষয়টি জানিয়ে আসছিল। এ বিষয়ে শাকিবের কাছে জানতে চাইলে সে আমার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করত।

সে আমাকে বাচ্চা নষ্ট করার কথা বলত। এতে আমি রাজি না হলে সে আমাকে এড়িয়ে চলতে থাকে। যখন কলকাতার একটি হাসপাতালে ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে বাচ্চা ডেলিভারির জন্য ভর্তি হই তখন ২৭ সেপ্টেম্বর বাচ্চা হওয়ার সময় বা তার আগে ও পরে একবারের জন্যও হাসপাতালে আমাকে বা বাচ্চাকে দেখতে আসেনি শাকিব। সে তখন বুবলীকে নিয়েই ব্যস্ত ছিল।

বাচ্চাকে নিয়ে যখন দেশে ফিরি তখন সে আমার অনুরোধে আমার বাসায় বাচ্চা দেখতে আসত। আমি তাকে বিষয়টি সবাইকে জানানোর কথা বললে সে বলত, ‘এখন বিষয়টি সবাই জেনে গেলে আমার ফিল্ম ক্যারিয়ারের ক্ষতি হবে। সময়মতো জানানো যাবে।’ আমি তার কথা মেনে নিয়ে তাকে জানাই, ‘এক শর্তে আমাদের বিয়ে ও বাচ্চার বিষয়টি গোপন রাখতে পারি। আর তা হলো তুমি আর বুবলীর সঙ্গে ছবি করতে পারবে না।’

অপু বলেছিলেন, শাকিব আমার শর্ত মেনে নিয়েছিল, সে আমার কথা রাখায় আমিও খুশি হয়েছিলাম। কিন্তু না, এই খুশি বেশি দিন টেকেনি। ২০১৭ সালের ১০ এপ্রিল সকাল সকালই আমার মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ল। একটি পত্রিকায় দেখলাম শাকিব-বুবলী জুটি বেঁধে ‘রংবাজ’

শিরোনামের একটি ছবিতে অভিনয় করতে যাচ্ছে। শাকিব আমাকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভাঙায় আমার রাগ-ক্ষোভ চরমে পৌঁছাল। আমিও সিদ্ধান্ত নিলাম তার কথা রাখা আমার পক্ষে আর সম্ভব নয়।

Author: Admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *